নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ কার্যক্রমে দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা হজ গাইডের সম্মাননা পেয়েছেন পটুয়াখালীর মাওলানা মো. আব্দুল হালিম গাজী। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন পটুয়াখালীর মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার আশকোনায় হজ অফিসে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ গাইড পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
মাওলানা মো. আব্দুল হালিম গাজী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিচান্না গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতা মরহুম মো. এলেম গাজী। ২০১০ সাল থেকে ২০২৬ সালের হজ মৌসুম পর্যন্ত সরকারি হজ গাইড হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।
দীর্ঘ এই সময়ে তিনি হজযাত্রীদের সার্বিক সহযোগিতা, ধর্মীয় দিকনির্দেশনা এবং হজের বিভিন্ন বিধি-বিধান সম্পর্কে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সেবা দিয়ে আসছেন। মক্কা, মদিনা ও মাশায়ের পবিত্র স্থানগুলোতে হাজিদের সঙ্গে থেকে তাঁদের বিভিন্ন প্রয়োজন ও সমস্যায় সহযোগিতা করেছেন তিনি।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (কায়কোবাদ), এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, এমপি এবং ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, এমপি। অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মাওলানা মহিবুল্লাহিল বাকি উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, এনডিসি।
সম্মাননা পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মাওলানা আব্দুল হালিম গাজী বলেন, হজযাত্রীদের সেবা করা তাঁর কাছে একটি মহান আমানত। হাজিদের সন্তুষ্টি এবং সুন্দরভাবে হজ সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল। এ সম্মাননা ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে হজযাত্রীদের সেবা করতে তাঁকে অনুপ্রাণিত করবে।
তাঁর এ অর্জনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের পরিচালক, জেলা প্রশাসন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন পটুয়াখালীর কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তাঁরা মাওলানা আব্দুল হালিম গাজীর এ অর্জনকে পটুয়াখালী তথা বরিশাল বিভাগের জন্য গৌরবের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও তিনি হজযাত্রীদের সেবা ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
Related Posts
Add A Comment
